Search This Blog

Friday, 20 March 2026

West Bengal Election 2026: A Decisive Shift in the State’s Political Landscape


What is changing in West Bengal? In electoral politics? How are vote banks shifting from TMC to BJP? What are the sociopolitical reasons behind? Read this blog article to know all these. 

SIR and the Changing Electoral Base

The electoral landscape of West Bengal ahead of the 2026 Assembly elections is undergoing a structural transformation when compared with 2021. At the center of this shift lies the Special Intensive Revision (SIR) of electoral rolls, which has not only expanded but also reshaped the electorate.

In 2021, the total number of electors stood at approximately 6.99 crore, rising to about 7.66 crore this year. Alongside this expansion, nearly 61.7 lakh voters have been deleted during the SIR process—exceeding the 59 lakh vote margin by which Mamata Banerjee-led Trinamool Congress (TMC) led the Bharatiya Janata Party (BJP). With TMC winning 213 seats against BJP’s 77, the opposition to SIR by TMC suggests that the party views this recalibration as electorally adverse, while the BJP appears positioned to benefit.

Election Commission’s Assertive Role 

The role of the Election Commission of India has further altered the equation. By reshuffling the top and mid-level bureaucracy—including key administrative and police officials—and deploying approximately 200 companies of central forces, the Commission aims to ensure a more neutral environment. Given the allegations of violence and coercion in the previous election, stricter enforcement is likely to curb such practices, potentially eroding a traditional advantage enjoyed by the ruling party.

Judicial Oversight and Bhadralok Perception

Parallelly, the Supreme Court of India has reinforced institutional oversight by dismissing petitions against SIR and making critical observations regarding the conduct of the state government. Such interventions are significant in shaping perceptions among the Bengali bhadralok, for whom institutional credibility and the rule of law remain important political determinants.

Anti-Incumbency and Governance Concerns

Beyond institutional shifts, anti-incumbency is emerging as a decisive factor. After over a decade in power, governance-related issues have accumulated. High-profile controversies such as the RG Kar Hospital incident have raised questions about law and order and administrative responsiveness. Similarly, the teacher recruitment scam involving Partha Chatterjee, along with other corruption allegations, has dented the government’s credibility. The issue of “tolabazi” (extortion), which has even been acknowledged in public discourse by the Chief Minister, continues to resonate at the grassroots level.

Social Polarisation and Emerging Political Factors

At the societal level, there is also a perception among sections of voters of religious appeasement, contributing to a consolidation of Hindu sentiment against the ruling dispensation. This is further complicated by the entry and growing visibility of leaders such as Humayun Kabir and Asaduddin Owaisi, which could fragment minority votes and indirectly alter electoral arithmetic.

The Decisive Role of New Voters

Another critical variable is the addition of approximately 66 lakh new voters. This group of first-time electors is less tied to legacy political loyalties and more influenced by aspirations related to governance, employment, and stability. Their voting behavior remains uncertain but potentially decisive.

Conclusion: Momentum Shifting Toward BJP

Taken together, the convergence of SIR-driven electoral restructuring, administrative tightening by the Election Commission, judicial scrutiny, anti-incumbency pressures, and shifting social dynamics indicates a changing political momentum. While 2021 reflected TMC’s dominance, the evolving context of 2026 clearly points toward a decisive shift, with conditions now strongly favoring a BJP victory in West Bengal.

Regards,
Jyoti Kothari
Convener, Jaipur division
Prabhari, West Bengal,
Narendra Modi Vichar Manch

পশ্চিম বাংলার রাজনীতি: ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ ও সম্ভাবনার পথ

 

পশ্চিম বাংলার রাজনীতি: ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ ও সম্ভাবনার পথ

পশ্চিম বাংলায় ভারতীয় জনতা পার্টি এখনও তৃণমূল কংগ্রেস-কে অপসারিত করে ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়নি। যদিও 2019 লোকসভা নির্বাচন-এ বিজেপির উল্লেখযোগ্য উত্থান হয়েছিল এবং ৪২টির মধ্যে ১৮টি আসন লাভ করে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে সেই সাফল্য পুনরাবৃত্তি হয়নি। বর্তমানে বিজেপি একটি স্থায়ী বিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও ক্ষমতায় পৌঁছানোর জন্য আরও সুসংগঠিত ও সূক্ষ্ম কৌশল প্রয়োজন।

ক্ষমতায় আসতে হলে বিজেপিকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক নয়, বরং সাংস্কৃতিক, সামাজিক, সংগঠনিক ও মনস্তাত্ত্বিক স্তরে নিজেদের অবস্থানকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

বাংলার মূল চ্যালেঞ্জ: সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতা

১. পশ্চিম বাংলা উত্তর ভারতের মতো সরাসরি ধর্মীয় রাজনীতির ক্ষেত্র নয়। এখানে শাক্ত ধর্ম ও লোকায়ত সংস্কৃতি গভীরভাবে প্রোথিত, যেখানে দুর্গাপূজা, কালীপূজা প্রভৃতি ধর্মীয় আচার একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক উৎসব।

২. বাংলার সমাজে ধর্মের প্রকাশ বেশি সাংস্কৃতিক রূপে, সরাসরি রাজনৈতিক ধর্মীয় মেরুকরণ এখানে সীমিত কার্যকর।

৩. একসময় কৃত্তিবাসী রামায়ণ ঘরে ঘরে প্রচলিত থাকলেও বর্তমানে তার প্রভাব হ্রাস পেয়েছে, এবং নতুন প্রজন্মের সাথে ঐতিহ্যের সংযোগ দুর্বল হয়েছে।

৪. ‘বাঙালি ভদ্রলোক’ শ্রেণী এখনও বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিকভাবে প্রভাবশালী, কিন্তু তারা রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ বা দ্বিধাগ্রস্ত।

৫. ভাষা ও সাংস্কৃতিক দূরত্বের কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে সাধারণ বাঙালির আবেগগত সংযোগ সীমিত।

সম্ভাব্য কৌশল: সাংস্কৃতিক সংযোগ থেকে রাজনৈতিক বিস্তার

১. ধর্মীয় ভাষার পরিবর্তে “বাঙালি সাংস্কৃতিক পরিচয়”-কে সামনে আনা জরুরি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু-এর ভাবধারাকে সমন্বিতভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

২. ঐতিহ্যকে আধুনিক মাধ্যমে পুনর্জীবিত করতে হবে—
কৃত্তিবাসী রামায়ণ, কীর্তন, বাউল, শ্যামা সঙ্গীতকে ডিজিটাল, নাট্য ও সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে হবে।

৩. ‘ভদ্রলোক’ সমাজকে যুক্ত করতে বৌদ্ধিক আলোচনা, বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের বিতর্ক, থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন।

৪. স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—
“বাঙালিয়ানা”-সমৃদ্ধ নেতৃত্বই জনমানসে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ

১. বাংলায় “পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি” (welfare politics) এখনও শক্তিশালী বাস্তবতা।
২. সংগঠনের নিচের স্তরে সম্পদ ও সমর্থনের অভাব কর্মীদের বিচ্ছিন্ন করে।
৩. রাজনৈতিক হিংসা ও ভয়ের পরিবেশ এখনও একটি বড় প্রতিবন্ধক।

সমাধানের দিকনির্দেশ

১. “পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি”-কে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান না করে তাকে “সম্মান ও উন্নয়ন” (welfare + dignity) মডেলে রূপান্তর করতে হবে।

২. সংগঠনে বিকেন্দ্রীকরণ, স্বচ্ছতা ও স্থানীয় নেতৃত্বের ক্ষমতায়ন জরুরি।

৩. কর্মীদের সুরক্ষার জন্য আইনি সহায়তা ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

নতুন বাস্তবতা: বাংলার মূল চ্যালেঞ্জ: সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতা — বিস্তারিত বিশ্লেষণ

বর্তমান পশ্চিম বাংলা-র রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুটি শ্রেণী অত্যন্ত নির্ধারক হয়ে উঠেছে—নারী ভোটার এবং যুব সমাজ। যে কোনো রাজনৈতিক শক্তির জন্য এখন এদের মানসিকতা, প্রয়োজন এবং প্রত্যাশা বোঝা অপরিহার্য।

১. নারী ভোটার: নির্ধারক শক্তি কেন?

গত এক দশকে বাংলায় নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ শুধু বৃদ্ধি পায়নি, বরং তারা স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

(ক) কারণসমূহ

  • সরাসরি উপকারভোগী নীতি (Direct Benefit Schemes):
    নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্প (যেমন ভাতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা সহায়তা) তাদের ভোটের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলে।

  • নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা:
    নারী ভোটার শুধু অর্থনৈতিক সুবিধা নয়, নিরাপত্তা, সম্মান এবং সামাজিক স্থিতি চায়।

  • পরিবারে প্রভাবশালী ভূমিকা:
    অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের ভোটিং সিদ্ধান্তেও নারীদের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।

(খ) রাজনৈতিক কৌশলের দিকনির্দেশ

১. “লাভ” থেকে “সম্মান” (Benefit → Dignity)
শুধু আর্থিক সুবিধা নয়, নারীকে সম্মানজনক ও স্বনির্ভর নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।

২. নিরাপত্তা ও আইনগত সহায়তা

  • দ্রুত বিচার ব্যবস্থা

  • স্থানীয় স্তরে অভিযোগ নিষ্পত্তি

  • রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে সুরক্ষা

৩. অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

  • Self-help groups (SHGs) শক্তিশালী করা

  • ক্ষুদ্র শিল্প, হস্তশিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা

  • গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বাজার সংযোগ

৪. সাংস্কৃতিক সংযোগ


বাঙালি নারী সংস্কৃতির ধারক—

  • দুর্গা, কালী, সরস্বতীর সাংস্কৃতিক প্রতীককে নারী-শক্তি (empowerment)-এর সঙ্গে যুক্ত করা

  • স্থানীয় উৎসব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়ানো

২. যুব সমাজ: Narrative-driven মানসিকতা

বাংলার যুব সমাজ আজ শুধুমাত্র চাকরি নয়, বরং পরিচয় (identity), সুযোগ (opportunity) এবং ভবিষ্যৎ (aspiration)—এই তিনটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়।

(ক) যুবদের মানসিক বৈশিষ্ট্য

  • Narrative-driven:
    তারা “কী বলছে” তার থেকে বেশি “কী গল্প তৈরি হচ্ছে”—তা দেখে।

  • Digital Influence:
    সোশ্যাল মিডিয়া, YouTube, short videos—এই মাধ্যমগুলো তাদের মত গঠনে প্রধান ভূমিকা নেয়।

  • Migration Aspiration:
    অনেক যুবক বাংলার বাইরে সুযোগ খোঁজে—এটি একটি বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকেত।

(খ) রাজনৈতিক কৌশলের দিকনির্দেশ

১. শক্তিশালী Narrative তৈরি করা

  • “বাঙালির গর্ব + উন্নয়ন + সুযোগ” এই তিনকে একত্রে উপস্থাপন করতে হবে

  • স্বামী বিবেকানন্দ-এর যুব শক্তি, সুভাষ চন্দ্র বসু-র নেতৃত্ব—এই প্রতীকগুলিকে আধুনিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরা

২. কর্মসংস্থানকে কেন্দ্রীয় ইস্যু করা

  • শিল্পায়ন (Industrialisation), ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (MSME), এবং স্টার্টআপ পরিবেশ (Startup Ecosystem)-এর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

  • তথ্যপ্রযুক্তি (IT), পর্যটন (Tourism), ও লজিস্টিক্স (Logistics) ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

  • স্থানীয় যুবকদের জন্য স্থানীয় কর্মসংস্থান” (Local jobs for local youth) — এই ধারণাকে শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৩. শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন

  • শিল্পসংযুক্ত পাঠ্যক্রম (Industry-linked courses) চালু করতে হবে, যাতে শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সরাসরি যোগ তৈরি হয়।

  • কারিগরি প্রশিক্ষণ (Vocational training)-কে আরও প্রসারিত করতে হবে।

  • ডিজিটাল দক্ষতা—যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোডিং (Coding), ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing)—এই ক্ষেত্রগুলিতে যুবকদের প্রশিক্ষিত করতে হবে।

৪. উদ্যোক্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলা

  • স্টার্টআপে আর্থিক সহায়তা (Startup funding) নিশ্চিত করতে হবে।

  • ইনকিউবেশন কেন্দ্র (Incubation centers) স্থাপন করে নতুন উদ্যোক্তাদের দিকনির্দেশনা দিতে হবে।

  • কলেজ স্তরে উদ্ভাবন কেন্দ্র (Innovation hubs) গড়ে তুলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও উদ্যোগী মনোভাব বাড়াতে হবে।

৫. ডিজিটাল সংযোগ কৌশল (Digital Engagement Strategy)

  • সংক্ষিপ্ত ভিডিও কনটেন্ট—যেমন রিলস (Reels), শর্টস (Shorts)—এর মাধ্যমে যুব সমাজের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে হবে।

  • প্রভাবশালী ব্যক্তিদের (Influencers) সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

  • স্থানীয় ভাষায় গল্প বলার কৌশল (Storytelling) ব্যবহার করে সহজ ও আবেগঘন যোগাযোগ তৈরি করতে হবে।

৩. নারী ও যুব—সমন্বিত কৌশল

সবচেয়ে কার্যকর কৌশল তখনই হবে, যখন নারী ও যুব—এই দুই শ্রেণীকে একসাথে বিবেচনা করা হবে।

  • নারী + যুব = তরুণী ভোটার (Young women voters) — এটি বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া শ্রেণী।

  • শিক্ষা, দক্ষতা (Skill) এবং নিরাপত্তা (Safety)—এই তিনটি বিষয়ের উপর সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

উদাহরণ:

  • মেয়েদের উচ্চশিক্ষা + বৃত্তি (Higher education + stipend)

  • নারী উদ্যোক্তা প্রকল্প (Women startup schemes)

  • নিরাপদ গণপরিবহন (Safe public transport)


সমাপনী বিশ্লেষণ

বর্তমান বাংলার রাজনীতিতে—

  • নারী ভোটার → স্থিতিশীলতা (Stability), নিরাপত্তা (Security) এবং মর্যাদা (Dignity) খোঁজে

  • যুব সমাজ → সুযোগ (Opportunity), পরিচয় (Identity) এবং আকাঙ্ক্ষা (Aspiration) খোঁজে

যে রাজনৈতিক কৌশল এই দুইয়ের মধ্যে সঠিক সমন্বয় স্থাপন করতে পারবে, ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সাফল্য তার পক্ষেই যাবে।

যে রাজনৈতিক শক্তি এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় (balance) তৈরি করতে পারবে, তার পক্ষেই ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ গড়ে উঠবে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি, বাংলার রাজনীতি ২০২৬, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, নির্বাচনী কৌশল, নারী ভোটার পশ্চিমবঙ্গ, যুব ভোটার ও রাজনীতি, বাঙালি সংস্কৃতি ও রাজনীতি, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা, 

Thursday, 19 March 2026

पश्चिम बंगाल की राजनीति: 2021 से 2026 तक—सत्ता, संघर्ष और संस्थागत टकराव का बदलता परिदृश्य



पश्चिम बंगाल की राजनीति: 2021 से 2026 तक—सत्ता, संघर्ष और संस्थागत टकराव का बदलता परिदृश्य

भाजपा की सांगठनिक बैठक, पश्चिम बंगाल 


पश्चिम बंगाल की राजनीति पिछले पाँच वर्षों में केवल चुनावी प्रतिस्पर्धा तक सीमित नहीं रही, बल्कि यह संस्थागत संघर्ष, भ्रष्टाचार के आरोप, न्यायपालिका की सक्रियता और प्रशासनिक विवादों का जटिल मिश्रण बन चुकी है। अब जब विधानसभा चुनाव 2026 में मात्र एक महीना शेष रह गया है तब अनेकों प्रश्न उभर कर सामने आ रहे हैं. 2021 के विधानसभा एवं 2024 के लोकसभा चुनावों से आज की परिस्थितियां बहुत अलग है और निष्पक्ष विश्लेषण से यह भाजपा की और झुकी हुई दिखती है. आगे हम विगत पांच वर्षों के प्रमुख घटनाक्रमों का संक्षिप्त विश्लेषण प्रस्तुत कर चुनावी संभावनाओं पर विचार करने जा रहे हैं. 

वर्त्तमान रुझानों एवं राजनैतिक वास्तविकताओं को देखें तो यह स्पष्ट होता है की इस विधानसभा चुनाव में ममता बनर्जी के नेतृत्व में तृणमूल कांग्रेस की नैया डगमगाती हुई दिख रही है एवं भाजपा पहली बार पश्चिम बंगाल विधानसभा में स्पष्ट बहुमत प्राप्त करने जा रहे है. 

1. 2021: निर्णायक विजय, लेकिन असंतुलित विपक्ष

2021 के विधानसभा चुनाव में ममता बनर्जी के नेतृत्व में तृणमूल कांग्रेस ने भारी बहुमत से जीत दर्ज की। भारतीय जनता पार्टी 77 सीटों के साथ मुख्य विपक्ष बनी।

इस चरण की विशेषता:

  • मजबूत नेतृत्व बनाम उभरता विपक्ष

  • “बाहरी बनाम बंगाली अस्मिता” 

2. 2022–2024: भ्रष्टाचार और संस्थागत संकट का उदय

(क) पार्थ चटर्जी और भर्ती घोटाला

पार्थ चटर्जी की गिरफ्तारी ने राज्य की राजनीति को झकझोर दिया।

  • यह मामला “Systemic corruption” का प्रतीक बन गया. स्वयं मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने "तोलाबाज़ी' का संज्ञान लिया और उसके लिए हस्तक्षेप करने को मजबूर हुई.  

(ख) सुप्रीम कोर्ट का हस्तक्षेप

  • शिक्षक भर्ती में व्यापक अनियमितताओं के कारण हजारों नियुक्तियाँ रद्द

प्रभाव:

  • सरकार की विश्वसनीयता पर प्रश्न

  • न्यायपालिका की बढ़ती भूमिका

3. 2024: मेडिकल कॉलेज घटना और जनभावना का बदलाव

2024 में कोलकाता मेडिकल कॉलेज से जुड़ी महिला डॉक्टर के साथ जघन्य अपराध की घटना ने पूरे राज्य को झकझोर दिया।

इसके परिणाम:

  • कानून-व्यवस्था पर गंभीर सवाल

  • डॉक्टरों का व्यापक आंदोलन

  • महिलाओं की सुरक्षा एक केंद्रीय राजनीतिक मुद्दा बनी

4. 2024–2025: जनआंदोलन, सामाजिक तनाव और पहचान की राजनीति

(क) शिक्षक आंदोलन

  • हजारों बर्खास्त शिक्षकों का आंदोलन

  • “नौकरी बनाम न्याय” का द्वंद्व

(ख) वक्फ़ बोर्ड और भूमि/प्रशासनिक विवाद

इसी अवधि में वक्फ़ बोर्ड से जुड़े मुद्दे भी चर्चा में आए, विशेषकर भूमि प्रबंधन, अतिक्रमण, और प्रशासनिक पारदर्शिता को लेकर। मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने वक़्फ़ एक्ट के सम्बन्ध में केंद्र सरकार के निर्देशों को नहीं मानने की बात कही परन्तु अंतिम समय में उसे क्रियान्वित करने का आदेश जरी करना पड़ा.  

प्रमुख बिंदु:

  • वक्फ़ संपत्तियों के उपयोग और नियंत्रण को लेकर प्रश्न

  • स्थानीय स्तर पर विवाद और राजनीतिक ध्रुवीकरण

  • “अल्पसंख्यक अधिकार बनाम पारदर्शिता” की बहस

राजनीतिक प्रभाव:

  • मुख्य विपक्षी दल भाजपा ने इसे अल्पसंख्यक तुष्टिकरण (appeasement) से जोड़ा

  • सत्ता पक्ष ने इसे संविधानिक संरक्षण और अधिकार के रूप में प्रस्तुत किया परन्तु भाजपा का पक्ष मजबूत रहा. 

 निष्कर्ष:

यह मुद्दा केवल प्रशासनिक नहीं रहा, बल्कि पहचान आधारित राजनीति (identity politics) का हिस्सा बन गया।

(ग) सामाजिक तनाव

  • विभिन्न क्षेत्रों में  हिंसा और तनाव

  • मुर्शिदाबाद हिंसा जैसे घटनाक्रम

  • संकेत:

  • सामाजिक असंतुलन

  • प्रशासनिक चुनौती

5. 2025–2026: चुनावी संस्थाओं और राज्य के बीच टकराव

(क) SIR और चुनाव आयोग विवाद

  • मतदाता सूची संशोधन (SIR) को लेकर विवाद

  • राज्य बनाम चुनाव आयोग टकराव

(ख) सुप्रीम कोर्ट की भूमिका

  • भर्ती घोटाले पर कड़ा रुख

  • चुनावी प्रक्रियाओं पर निगरानी

निष्कर्ष:

न्यायपालिका अब एक निर्णायक शक्ति बन चुकी है

6. 2026: ED बनाम राज्य सरकार—संस्थागत संघर्ष चरम पर

  • प्रवर्तन निदेशालय की कार्रवाई

  • मुख्यमंत्री की प्रत्यक्ष हस्तक्षेप की स्थिति

सुप्रीम कोर्ट की टिप्पणी:

  • “असामान्य स्थिति”

  • एजेंसी को कार्य करने की स्वतंत्रता

यह दर्शाता है:

  • संघीय ढांचा बनाम केंद्रीय एजेंसियां

  • राज्य बनाम केंद्र संघर्ष

7. समग्र विश्लेषण: तीन चरणों में बदलाव

2021 → 2024

  • स्थिर सत्ता

  • भ्रष्टाचार एवं उभरते मुद्दे

2024 → 2025

  • जनआंदोलन

  • सामाजिक व पहचान आधारित राजनीति (जिसमें वक्फ़ जैसे मुद्दे शामिल)

2025 → 2026

  • संस्थागत टकराव चरम पर

8. निष्कर्ष: भविष्य की राजनीति का स्वरूप

आज पश्चिम बंगाल की राजनीति तीन ध्रुवों पर टिकी है:

  1. राजनीतिक शक्ति (TMC vs BJP)

  2. संस्थागत संघर्ष (EC, ED, Judiciary)

  3. जनभावना + पहचान राजनीति (नौकरी, सुरक्षा, वक्फ़, पहचान)

2026 का चुनाव केवल सत्ता परिवर्तन नहीं, बल्कि:

  • विश्वास बनाम भ्रष्टाचार

  • पहचान बनाम प्रशासनिक पारदर्शिता

  • राज्य स्वायत्तता बनाम केंद्रीय हस्तक्षेप का निर्णायक संग्राम होगा जिसमे भाजपा स्पष्ट रूप से विजय रथ पर सवार दिख रही है. 

Sunday, 31 March 2024

পশ্চিম বাংলায় বিজেপির নির্বাচনী সমস্যা ও সমাধান

 

পশ্চিম বাংলায় বিজেপি এখন ও তৃণমূল কে অপসারিত করে ক্ষমতায় আসতে পারে নি, যদি ও সম্পূর্ণ উত্তর ভারতে বিজেপির বিজয় পতাকা! গত লোকসভায় পশ্চিম বাংলায় বিজেপির ভোট অনেক বেড়েছিলো এবং সেই কারণে ৪২ এর মধ্যে ১৮ টা লোকসভা সিট্ পাওয়া গিয়েছিলো। আশা করা গিয়েছিলো যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে কিন্তু সেইটা বাস্তবায়িত হয় নি. ভারতীয় জনতা পার্টি ৭৭ তা সিট্ পেয়ে বিধানসভায় প্রমুখ প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে অবশ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

ক্ষমতায় আসতে হলে বিজেপি কে এখন ও অনেক কাজ করতে হবে এবং তার জন্য সমস্যা গুলো কে আগে ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে. সাথে সাথে তার সমাধান জেনে সেই হিসাবে কাজ করতে হবে. আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সফলতা প্রাপ্ত করতে হলে ভারতীয় জনতা পার্টি কে বিচার করতে হবে কি মূল সমস্যা তা কোথায় এবং কিভাবে সেই সমস্যা গুলোর সমাধান হতে পারে। এই সমস্যাগুলি কে বিভিন্ন ভাবে দেখতে এবং বিশ্লেষণ করতে হবে যেমন সাংস্কৃতিক এবং ধার্মিক, রাজনৈতিক এবং সংগঠনিক। 

বাংলার সমস্যা

সাংস্কৃতিক এবং ধার্মিক


1. পশ্চিম বাংলা শেষ  উত্তর ভারতের ধরনের ধার্মিক নয়। মৌলিকভাবে শক্তি-পূজক বাঙালী সমাজের জন্য কালী পূজা, দুর্গা পূজা, সরস্বতী পূজা ধার্মিক থেকে বেশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে ও অনেক অপসংস্কৃতি মূলক বিকৃতি এসেছে যেটা সর্ববিদিত। 

2. বাংলায় বৈষ্ণব সমাজ শক্তি-পূজকদের তুলনায় অল্পসংখ্যক। উপরন্তু বাংলার বৈষ্ণব সমাজ মুখ্যতঃ কৃষ্ণ পূজক। এই কারণে শ্রীরামের নাম পশ্চিম বাংলায়  কম প্রভাবশালী।

3. এক সময় বাঙালি ভাষায় লেখা কৃত্তিবাস রামায়ণ ঘরে -ঘরে জনপ্রিয় ছিল, কিন্তু এখন সেই রকম নয় ।

4. এক সময় রাজস্থানের মারবাড়ি সমাজ বাংলায় আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালী ছিল এবং এটি বিজেপির এক শক্তিশালী এবং মৌল সমর্থক শ্রেণী। এখন এই সমাজটি রাজনৈতিকভাবে শক্তিহীন হয়েছে।

5. 'বাঙালী ভদ্রলোক'  আজকের রাজনীতিতে উপেক্ষিত  তবে এটি একটি বড় এবং সম্ভ্রান্ত  শ্রেণী। এই শ্রেণীও বিজেপির সাথে যোগ হতে দ্বিধা গ্রস্ত।  

6. বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অখিল ভারতীয় নেতৃত্ব মূলতঃ হিন্দি ভাষী। সাধারণ বাঙালী তাদের থেকে ঐভাবে অন্তরঙ্গতা অনুভব করেন না।


সমাধান


1. বাঙালি সমাজকে ধার্মিক সংস্কৃতির  সাথে যোগ করতে সতত প্রয়াস  করতে হবে। শক্তি-পূজার স্বরূপে  ধর্মবাদ আনতে হবে। এতে অপসংস্কৃতি  দূর করতে হবে।

2. বৈষ্ণব পরম্পরার কীর্তন, বাউল, শ্যামা সঙ্গীত ইত্যাদির সঙ্গে রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি ইত্যাদির পরম্পরাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে ।

3. বাংলায় আবৃত্তি, কবিতা পাঠ, আলোচনা চক্র, বাদবিবাদ প্রতিযোগিতা ইত্যাদির পুরানো পরম্পরাকে এর সঙ্গে যোগ করতে হবে।

4. কৃত্তিবাস রামায়ণ কে ঘরে ঘরে পৌছাতে হবে এবং সেই রামায়ণের সার্বজনীক পাঠের ব্যবস্থা করতে হবে.

5. মারওয়াড়ি (রাজস্থানি) / গুজরাটি সমাজ বিজেপির মূল সমর্থক শ্রেণী এবং প্রভাবশালী সমাজ। এদেরকে  রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে এবং অন্য প্রবাসীদের, বিশেষ করে  উত্তর প্রদেশ, বিহার, উড়িষ্যা, ঝাড়খণ্ডের লোকদের সাথে সংযোগ করতে হবে।

6. 'বাঙালী ভদ্রলোক' সংস্কৃতি-প্রেমী। প্যারা 2 এর সাংস্কৃতিক উপায়ে তাদের কে বিজেপির  সাথে যোগ করতে হবে। এছাড়াও, রামকৃষ্ণ পরমহংস, বিবেকানন্দ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, ঋষি অরবিন্দ, নেতাজি সুভাষ ইত্যাদি বাংলার গৌরবের মাধ্যমে তাদের সুষুপ্ত চেতনাকে জাগ্রত করতে হবে।

7. ভাষার দূরত্ব কম  করতে স্থানীয় নেতৃত্ব বিকাশ করতে হবে, যাদের মুলে বাঙালিয়ানা যুক্ত, কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিচারের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের দ্বারা প্রেরিত।  


বাংলার সমস্যা 

রাজনৈতিক এবং সাংগঠনিক


1. বাংলার রাজনীতি অনেক বছর ধরে "পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি" হয়ে আসছে। নীচের স্তরে কর্মীরা কোনও লাভ না পেলে কাজ করতে চায় না। আগে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল এই "পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতির " জোর দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব মজবুত করেছে। 

2. রাজনৈতিক নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় স্তর থেকে আসা টাকা নিচে পৌঁছায় না, এই রকম অভিযোগ উঠতে থাকে। এই কারণে জমিনি স্তরের কর্মীরা অন্য দলের সঙ্গে যুক্ত হয় যায়. 

3. জমিনি কর্মীরা ভয়ের রাজনীতির দ্বারা  প্রভাবিত। উপর থেকে তাদের পূর্ণ রাজনৈতিক  সাহায্য প্রাপ্ত না হওয়ায় তাদের বিজেপি থেকে পৃথক হতে হয়।


সম্ভাবিত সমাধান

1. "পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি" কে কিভাবে মোকাবিলা করা যায় সেই দিকে বিশেষ ভাবে চিন্তা ভাবনা করতে হবে. দীর্ঘস্থায়ী রাজনীতি তে নিঃস্বার্থ দেশসেবার ভাব জাগানোর জন্য  কাজ করা যায়, কিন্তু নির্বাচনী রাজনীতি, অন্ততঃ পক্ষে পশ্চিমবাংলায়, লাভের রাজনীতি তে টিকে আছে.

2. রাজনীতিক শুচিতার খেয়াল রেখে  উপরের স্তরে এমন নেতৃত্ব দেওয়া যায় যাতে জমিনি কর্মীদের পর্য্যন্ত অর্থের প্রবাহ হয়। সংগঠনে শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ এবং কর্মীদের সশক্তিকরণ প্রয়োজন।

3. হিংসা থেকে ভয়গ্রস্ত কর্মীদের জন্য উপযুক্ত সুরক্ষা দিতে হবে। তাদের জন্য প্রশাসনিক/আইনি সুরক্ষা এবং বড় নেতাদের সাথে তাত্ক্ষণিক সহায় প্রয়োজন।

Jyoti Kothari

Convener, Jaipur division
Prabhari, West Bengal,

Friday, 29 March 2024

षड़यंत्र: चुनाव के समय भारत पर विदेशी टिप्पणियां

 

षड़यंत्र: चुनाव के समय भारत पर विदेशी टिप्पणियां 



अनेक विदेशी शक्तियां भारत के विरुद्ध लगातार षड़यंत्र कर रही है. अमरीका, कनाडा, जर्मनी, .... ये सभी भारत के आन्तरिक मामलों में बेतुकी टिपण्णी कर रहे हैं, झूठे आरोप भी लगा रहे हैं. यूरोपीय एवं अमरीकी एजेंसियां भुखमरी या Happiness इंडेक्स के माध्यम से भारत को घेरने की कोशिश कर रही है. ऐसा विशेषकर लोकसभा चुनाव के समय किया जा रहा है जिससे नरेंद्र मोदी एवं भाजपा के खिलाफ माहौल बनाया जा सके. 

नरेंद्र मोदी, भाजपा और कमल निशान 

यह स्वाभाविक भी है और विभिन्न राष्ट्रों की विदेश निति एवं कूटनीति का एक प्रमुख भाग है. हर देश अपने राष्ट्रहित को सुरक्षित रखने, बढ़ाने एवं अन्य देशों को कमजोर करने की रणनीति पर काम करती है. नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में भारत सरकार अपने राष्ट्रहित को आगे रखने में कोई कोर कसर नहीं छोड़ती है. पश्चिमी देशों- यूरोप और अमरीका ने पिछले तीन चार सौ वर्षों तक औपनिवेशिक शासन के माध्यम से दुनिया पर राज किया है. इसलिए उनकी ऐसी आदत हो गई है की एसिया और अफ़्रीकी देशों के साथ वे गुलामों जैसा व्यवहार करें. लेकिन 21 वीं सदी में एशियन देशों खासकर भारत का  उभर कर आना उन्हें पच नहीं रहा. 2014 के बाद नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में भारत एक प्रमुख वैश्विक शक्ति के रूप में उभर रहा है. 

भारत की अर्थव्यवस्था  पिछले 10 वर्षों में ही नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में विश्व में 12 वें से 5 वें पायदान पर आ गई है और तीन चार वर्षों में ही तीसरे स्थान पर पहुँच जाएगी. ऐसा करते हुए उसने इटली, ग्रेट ब्रिटेन, फ़्रांस, जैसी शक्तिशाली यूरोपीय देशों को पछाड़ा है और आनेवाले कुछ ही वर्षों में जर्मनी और जापान को पीछे छोड़नेवाली है. 


पांचवीं बड़ी अर्थव्यवस्था बनने पर प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी का सम्बोधन 

आर्थिक महाशक्ति बनने के साथ साथ भारत की सैन्य शक्ति में भी भरी बढ़ोतरी हुई है. राफेल, S-400, पिनाका, स्वदेशी तेजस और AMCA ने भारत की वायुशक्ति को कई गुना बढ़ा दिया है. ब्रह्मोस और अग्नि 5 मिसाइल, स्वदेशी BMD, LRSAM, SAMAR २ जैसे मिसाइल डिफेंस सिस्टम अमरीका, रूस, चीन जैसे देशों के लिए भी ईर्ष्या का विषय बन चुके हैं. विश्व का सर्वाधिक हथियार आयातक देश से भारत अब हथियार निर्यात में अमरीका, रूस, चीन, फ़्रांस, ब्रिटेन, जर्मनी जैसे देशों को टक्कर देने के लिए तैयार हो रहा है. पूर्व की भारतीय सरकारें बहुत जल्दी वैश्विक दवाव में आ जाती थी लेकिन नरेंद्र मोदी ने उनसे आँख से आँख मिला कर बात करना शूरू किया. इसमें विदेशमंत्री एस जयशंकर ने भारत की कूटनीति में बड़ी भूमिका निभाई. चाहे रूस से तेल खरीदना हो या S-400, भारत ने अमरीकी प्रतिबंधों की परवाह नहीं की.

अग्नि 5 मिसाइल

 इन सब कारणों से अमरीका एवं अन्य शक्तिशाली पश्चिमी देश नहीं चाहते की भारत में नरेंद्र मोदी की सरकार तीसरी बार चुन कर आये. उन्हें चाहिए कठपुतली सरकार जो उनके इशारे पे काम करे. भारत की ताकत बढ़ने से चीन एवं पाकिस्तान को भी भरी नुकसान हुआ है और वो भी नरेंद्र मोदी नीट भाजपा के स्थान पर भारत के केंद्र में एक कमजोर गठबंधन की सरकार देखना चाहते हैं जो उनके इशारों पर काम करे और उनके दबाव के आगे झुक जाये. 

अभी हाल ही में ED द्वारा दिल्ली के मुख्यमंत्री अरविन्द केजरीवाल की शराब घोटाला मामले में गिरफ़्तारी के बाद जर्मनी के राजदूत ने अनावश्यक टिपण्णी की. भारत सरकार के विदेश मंत्रालय द्वारा तालाब करने के बाद जर्मनी के सुर ढीले पड़े ही थे की अमरीकी राजदूत ने एक पत्रकार के प्रश्न के जवाब में वैसी ही टिपण्णी कर दी. हालाँकि भारत ने उन्हें भी बुलाकर 40 मिनट तक अच्छे से खरी खोटी सुनाई और भारत के आन्तरिक मामलों से दूर रहने की सलाह दी. इसके बाबजूद अगले ही दिन अमरीका के अधिकारीयों ने अमरीका में एक प्रेस कॉन्फ्रेंस में आयकर विभाग द्वारा  कॉंग्रेस पर की गई कार्यवाही पर अनावश्यक टिपण्णी की. 


German Embassy to India Georg Enzweiler

निज्जर मामले में भारत के खिलाफ अनर्गल आरोप लगाने के बाद भारत के जवाब एवं कार्यवाही से घबरा कर कनाडा के प्रधानमंत्री जस्टिन ट्रुडो बैकफुट पर चले गए थे लेकिन अभी माहौल देखकर उन्होंने भी इस मामले को फिर से सुलगाना शुरू कर दिया है. वैसे ये बात तय है की भारत की जनता ने अपना मन बना लिया है और इन सभी विदेशी टिप्पणियों के बाबजूद इस बार नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में भाजपा तीसरी बार सरकार बनाने जा रही है और NDA अबकी बार चार सौ पार!! 

सादर,
संयोजक, जयपुर संभाग,
प्रभारी, पश्चिम बंगाल,


Sunday, 17 March 2024

अबकी बार चार सौ पार


"अबकी बार चार सौ पार" 2024 लोकसभा चुनाव में यह नारा है भारतीय जनता पार्टी का. नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में भाजपा तीसरी बार केंद्र में सरकार बनाने जा रही है. यूँ तो सरकार बनाने के लिए लोकसभा में 273 सदस्य ही काफी हैं लेकिन भाजपा ने 2014 एवं 2019 में भी इससे अधिक संख्या में जीत हासिल की थी. NDA के अपने सहयोगियों के साथ तो ये आंकड़ा और भी बहुत ज्यादा था. लेकिन नरेंद्र मोदी के नेतृत्व में भाजपा का परिवार एवं लोकप्रियता निरंतर बढ़ रही है. 10 वर्षों के शासन के बाद भी कहीं कोई सरकार विरोधी लहार नहीं दिख रहा है. मोदी नीत भाजपा सरकार ने भारत में ही नहीं पुरे विश्व में कामयाबी के झंडे गाड़े हैं. 

भाजपा का कमल निशान 


इस सरकार के कार्यकाल में भारत विश्व में 11वीं से पांचवीं अर्थव्यवस्था बन चुकी है और शीघ्र ही तीसरी अर्थव्यवस्था बनने की ओर अग्रसर है. देश की जीडीपी वृद्धि की दर विश्व में सर्वाधिक है. जहाँ युरोप और जापान की अर्थव्यवस्था मंदी की चपेट में है, चीन कर्ज के मकड़जाल में फंस कर अपने डगमगाते अर्थव्यवस्था को संभालने की कोशिश कर रहा है; वहीँ भारतीय अर्थव्यवस्था दनदनाते हुए आगे बढ़ रही है. भारत विश्व की आर्थिक और सैन्य महाशक्ति बनने की ओर तेजी से और दृढ़ता से कदम बढ़ा रहा है. यह नरेंद्र मोदी एवं उनकी टीम की सूझबूझ, ईमानदारी एवं कठोर परिश्रम का ही परिणाम है. 

भारत विश्व की पांचवीं बड़ी अर्थ व्यवस्था 


भारत से शत्रुता रखनेवाले पड़ौसी देश पाकिस्तान की स्थित किसी से छिपी नहीं है, वह दिवालियेपन की ओर बढ़ रहा है. चीन के बारे में बता ही चुके हैं. इन दोनों ही देशों को सामरिक मोर्चे पर भारत कड़ी चुनौती दे रहा है. सीमा क्षेत्र में निरंतर आवश्यक निर्माण कार्य से पाकिस्तान ही नहीं चीन भी भौचक्का है. राफेल हो या अग्नि ५ मिसाइल, या पिनाका और बज्र भारत का सैन्य आधुनिकीकरण भी अपने पुरे शबाब में है. 

कश्मीर से धारा 370 हट गया, अयोध्या में राम मंदिर बन गया, कई भाजपा शासित राज्यों में सामान नागरिक संहिता भी लागु हो गई. अभी कुछ ही दिनों पूर्व देश में CAA भी लागु कर दिया गया. गरीबी कम हो गई और प्रति व्यक्ति आय तेज गति से बढ़ रहा है जिससे लोगों का जीवन स्तर तेजी से ऊपर उठ रहा है. भारत का शेयर बाजार उफान पर है और निर्यात में रिकॉर्ड वृद्धि दर्ज़ की जा रही है. विदेशी मुद्रा भंडार 635 अरब डॉलर के पर पहुँच गया है.

विपक्ष के INDI गठवन्धन का प्रयोग बुरी तरह विफल हो गया और भाजपा नीत NDA में दलों की संख्या बढ़ गई. राहुल गाँधी की न्याय यात्रा में लोग कहने लगे की कॉंग्रेस में ही न्याय नहीं मिलता! बड़ी संख्या में लोग कॉंग्रेस छोड़ कर भाजपा में आ रहे हैं. अन्य विपक्षी दलों की भी ये ही स्थिति है. परिवार बड़ी पार्टियां , अपनी अंतिम सांसे गईं रही है. शरद पवार, उद्धव ठाकरे, लालूप्रसाद यादव, अखिलेश यादव..... सबका बुरा हाल है.  

मजबूत क्षेत्रीय नेता के रूप में प्रख्यात ममता बनर्जी एवं स्टालिन की स्थिति भी अच्छी नहीं है. संदेशखाली प्रकरण के बाद बंगाल में ममता दीदी के भी पसीने छूट रहे हैं. दूसरी ओर सनातन के विरोध का स्टालिन का दांव भी तमिलनाडु में उल्टा पड़ता जा रहा है. बड़ी संख्या में भ्रष्टाचारी नेता जेल और बेल के चक्कर में फंसे हैं. कट्टर ईमानदार होने का दावा करनेवाले अरविन्द केजरीवाल जेल जाने के कगार पर हैं. 

ऐसी स्थिति में इस बार लोकसभा चुनाव में भाजपा का 400 पार जाना तय है. 

विपक्षियों में हाहाकार, भाजपा चार सौ पार 


सादर,
संयोजक, जयपुर संभाग,
प्रभारी, पश्चिम बंगाल,

Tuesday, 23 June 2020

चीन की कम्युनिस्ट पार्टी के साथ भारत की कांग्रेस पार्टी का गुप्त समझौता क्यों?


चीन की कम्युनिस्ट पार्टी के साथ भारत की कांग्रेस पार्टी का गुप्त समझौता


इन दिनों ये खबर सामने आ रही है कि UPA सरकार के दौरान 2008 में काँग्रेस पार्टी ने चीन की कम्युनिस्ट पार्टी से एक गुप्त समझौता किया था। सोनिया और राहुल की अगुवाई में हुए इस समझौते का कोई विवरण अभी तक न भारत सरकार न जनता के सामने आया है। सरकार में रहते हुए देश के एक सबसे पुराने राजनैतिक दल का किसी विदेशी राजनैतिक दल से समझौता, वो भी गुप्त, समझ  परे है. 

याद होगा कि डोकलाम संकट के समय राहुल गांधी गुप्त रूप से चीनी दूतावास गए थे, खबर सामने आने पर राहुल ने इससे इंकार किया था.  हालांकि बाद में चीनी दूतावास द्वारा मुलाकात की फ़ोटो अपनी वेबसाईट में डालने के बाद राहुल गांधी को अपनी झूठ स्वीकारनी पड़ी थी।

गलवान घाटी, लद्दाख में  चीन से विवाद के बाद कॉंग्रेस की भूमिका 


अभी ताजा गलवान घाटी विवाद के बाद वरिष्ठ काँग्रेसी नेता आनंद शर्मा ने ट्वीट कर चीन को भारत का अहम रणनीतिक साझेदार बताया। काँग्रेस के ही एक और वरिष्ठ नेता शशि थरूर ने कहा कि चीन का एक भी सैनिक गलवान में मारा नही गया।

पूर्व वित्तमंत्री पी चिदंबरम ने कहा कि चीनी समान के वहिष्कार से भारत को ही नुकसान होगा। इन सभी बातें महज संयोग नही है। कहीं ये सब किसी बड़े षडयंत्र का हिस्सा तो नही? ध्यान रखना होगा कि भारत हमेशा सत्ता के भूखे गद्दारों से ही हारा है। 

ये बात सभी जानते हैं की कॉंग्रेस पार्टी को सत्ता से बाहर रहने की आदत नहीं है और वो लगातार दो बार देश का आम चुनाव हार चुकी है. राज्यों में भी कॉंग्रेस की सत्ता सिमटती जा रही है. उसके बड़े नेता एक एक कर पार्टी छोड़ते जा रहे हैं. एक परिवार की बफादारी में आम जनता से उसका संपर्क टूट चूका है. ऐसे में जमीनी काम करने के बजाय यह पार्टी कहीं षड़यंत्र के माध्यम से तो सत्ता में पहुंचना नहीं चाहती? 

क्या चीन के साथ काँग्रेस की कोई सांठगांठ है?


देश के प्रथम प्रधानमंत्री जवाहरलाल नेहरू के समय से ही कांग्रेस की चीन के प्रति नरम नीति रही है. अमरीका की पेशकश के बाबजूद उन्होंने सुरक्षा परिषद् में भारत के लिए स्थयी सीट ठुकरा दी थी, और यह सीट अर्थात वीटो पावर चीन को दे दिया था. अक्साई चीन का हिस्सा चीन को देना आदि ऐसे अनेक उदाहरण हैं जिससे ऐसा स्पष्ट लगता है की नेहरू भारत से ज्यादा चीन के प्रति झुकाव रखते थे

आज भी कॉंग्रेस वर्किंग कमिटी की बैठक में लद्दाख संकट के लिए भाजपा की नीतियों को जिम्मेदार ठहराया है. आज जब सभी प्रमुख विपक्षी दल; यहाँ तक की कांग्रेस के अनेक सहयोगी दल, राष्ट्रिय कॉन्ग्रेस पार्टी एवं शिव सेना भी सरकार के साथ है, तब भी लगातार आक्रामक रूप से कोंग्रेस सरकार एवं भाजपा पर हमलावर है. 

क्या चीन के साथ काँग्रेस की कोई सांठगांठ है? इस संकट के समय सोनिया, राहुल और सभी कांग्रेसियों के प्रधानमंत्री मोदी पर आक्रामक बयानों से तो ऐसा ही लगता है।

बात सही लगे तो इसे अधिक से अधिक शेयर करें। इसे ज्यादा से ज्यादा शेयर करें, हर भारतीय को यह बात मालूम पड़नी चाहिए 




कॉंग्रेस चीनी कम्युनिस्ट पार्टी ,  चीन के साथ काँग्रेस की सांठगांठ,  गलवान घाटी लद्दाख में चीन से विवाद में  कॉंग्रेस की भूमिका,

सादर,
ज्योति कोठारी
संयोजक, जयपुर संभाग,
प्रभारी, पश्चिम बंगाल,
नरेंद्र मोदी विचार मंच